গাজা অভিমুখী কনশানস (Conscience) নৌযান থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও দৃক পত্রিকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম। এই ঘটনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বার্তা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২:২০ মিনিটে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সরকারকে শহিদুল আলমের নিরাপদে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে বুধবার সকালে (প্রায় সাড়ে ১০টা) ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় শহিদুল আলম নিজেই জানান, সমুদ্রে তাদের আটক করা হয়েছে এবং ইসরাইলের অভিযান বাহিনী তাকে আটক করে নিয়ে গিয়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে শহিদুল লিখেছেন (সংক্ষিপ্ত):
“আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশ থেকে একজন ফটোগ্রাফার ও লেখক। আমরা সমুদ্রপথে আটকানো হয়েছি এবং আমাকে ইসরাইলের অভিযান বাহিনী ধরে নিয়ে গেছে… আমি আমার সমস্ত সাথী ও বন্ধুদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি—ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার লড়াই চালিয়ে যেতে থাকুন।”
কনশানস নামের জাহাজটি ফ্রিডম ফ্লোটিলা অভিযানের অংশ হিসেবে মানবিক সহায়তা ও সম্মিলিত নৌবহরে ছিল। ফ্লোটিলার অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা এবং আয়োজকরা দাবি করেছেন, জাহাজগুলোতে ওষুধ ও তাত্ক্ষণিক মানবিক সহায়তা বহন করছিল।
ইসরায়েলি সূত্রগুলো বলে, ফ্লোটিলার জাহাজ ও যাত্রীদের আটক করে একটি ইসরায়েলি বন্দরে নেওয়া হয়েছে এবং পরে বহিষ্কারের পরিকল্পনা রয়েছে—তবে এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিবরণ বা বাংলাদেশি নাগরিকদের অবস্থান ও অবস্থার বিষয়ে যে কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সময়ভিত্তিক হতে পারে।
বিষয়টি সামাজিক ও কূটনৈতিক বিচারে গুরুত্ব বহন করে—একদিকে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ও শরণার্থীদের নাগরিকদের নিরাপত্তার প্রশ্ন, অন্যদিকে আটক ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও দ্রুত পুনরাগমনের দাবি স্থানীয় রাজনীতিক ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো তীব্রভাবে তুলেছেন। বাংলাদেশে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে সরকারি প্রতিক্রিয়া এখনই প্রদান হয়নি; মির্জা ফখরুলের আহ্বানের প্রেক্ষাপটে কাস্টমারি কূটনৈতিক যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।


