আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি।
তবে বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এখনো কারও নাম ঘোষণা হয়নি।
বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসন থেকে ১৯৭৩ সালের পর থেকে কেবল ২০২৩ সালের উপনির্বাচন ছাড়া আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী কখনো জয়ী হতে পারেননি।
তাই স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, এই আসনে রুমিন ফারহানাই সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।
বিএনপি নেতা-কর্মীরা জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ২০১৭ সাল থেকেই এলাকায় সক্রিয়।
প্রতি সপ্তাহেই তিনি সরাইল ও আশুগঞ্জে গণসংযোগ, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে, দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপি হয়তো জোটের শরিকদের জন্য এ আসনটি খালি রেখেছে।
তবে রুমিন ফারহানার অনুসারীরা বলছেন— তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে বিএনপি বড় ভুল করবে, এমনকি জোটের প্রার্থীও জামানত হারাবেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনেও এই আসনে জোটের প্রার্থী দেওয়ায় বিএনপি সমর্থকেরা অসন্তুষ্ট ছিলেন।
তখন রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে বিপুল ভোটে জয়ের সম্ভাবনা ছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
নেতাকর্মীদের দাবি— সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষের পাশে থেকে দলীয় কার্যক্রমে যুক্ত থাকা রুমিন ফারহানাই জনগণের আস্থার প্রতীক।
তাঁকে বাদ দিলে এ আসনে দল বিভক্ত হবে এবং বিএনপির ভোটব্যাংক ঝুঁকিতে পড়বে।
২০২৩ সালের উপনির্বাচনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার বিরোধিতায় সরাসরি অবস্থান নেন রুমিন ফারহানা।
এর পর থেকে তিনি বিভিন্ন হয়রানির মুখোমুখি হলেও দলের সঙ্গে থেকে সক্রিয় ছিলেন।
স্থানীয়রা বলছেন— এবারও যদি তাকে মনোনয়ন না দেওয়া হয়, তাহলে বিএনপি তাদের ঘাঁটিতেই হারবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে রুমিন ফারহানা ছাড়া অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তার অনুসারীরা।


