ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ত্রাণ সরবরাহে ইসরাইলের বাধার কারণে খাদ্য সংকট তীব্র হচ্ছে। গাজায় মানুষ ক্ষুধা ও দুর্ভোগে কাতর হচ্ছেন।
জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলো সীমিত সীমান্ত খোলা থাকার কারণে দ্রুতগতিতে ত্রাণ পৌঁছে দিতে কঠোর পরিশ্রম করছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) মুখপাত্র আবির ইতেফা বলেন, “পূর্ণ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। দ্রুতগতিতে ত্রাণ সরানো জরুরি। শীত চলে আসছে, মানুষ এখনো ক্ষুধায় ভুগছে।”
ডব্লিউএফপি গাজা জুড়ে ৪৪টি স্থানে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং ১০ অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ১০ লাখেরও বেশি মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে। তবে সীমিত খাদ্য সরবরাহ এখনো যথেষ্ট নয়, বিশেষ করে উত্তর গাজার জন্য।
যুদ্ধবিরতির পরও ইসরাইলি সেনারা আক্রমণ চালাচ্ছে। মঙ্গলবার গাজা সিটির তুফাহ এলাকায় এক ব্যক্তি নিহত ও একজন আহত হন। উত্তর গাজার জাবালিয়ায়ও এক জন নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ২৪০ জন নিহত ও ৬০৭ জন আহত হয়েছেন।
গাজার সরকারি তথ্য অফিস জানায়, ১০ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে গড়ে দিনে ১৪৫টি ট্রাক প্রবেশ করেছে, যা যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী ৬০০টির কম।
উত্তর গাজার প্রবেশপথ বন্ধ থাকায় ত্রাণ কাফেলাগুলো দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে যেতে হচ্ছে। জাতিসংঘসহ অন্যান্য সংস্থা ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সীমান্ত পারাপারের সব পয়েন্ট খুলে দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে।
http://Qtv Bangla HD TV | আন্তর্জাতিক সংবাদ | www.qtvbanglahd.tv


