শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
Headline
Wellcome to our website...
নির্বাচনে ব্যাঘাত ঘটানোর মতো শক্তি নেই আওয়ামী লীগের: প্রেস সচিব
প্রকাশ কাল | শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
আওয়ামী লীগ, নির্বাচন ২০২৫, শফিকুল আলম, প্রেস সচিব, বিএনপি মনোনয়ন, তৃণমূল রাজনীতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রশাসন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
ফাইল ছবি । প্রেস সচিব শফিকুল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার অগ্রগতি ও দলগুলোর অবস্থান বিবেচনা করলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের সম্ভাবনা আরও দৃঢ় হয়েছে। শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তার মতে, তিনটি সাম্প্রতিক ঘটনা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি অনেক কমে এসেছে এবং নির্বাচনকালীন পরিবেশ স্থিতিশীল থাকার ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে।

স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, বিএনপির সংসদীয় আসনের মনোনয়ন ঘোষণা নিয়ে সর্বত্র শঙ্কা ছিল যে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। অনেকেই ধারণা করেছিলেন বিদ্রোহী প্রার্থী, সমর্থকদের অসন্তোষ বা সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু এক-দুটি ছোট ঘটনার বাইরে পুরো প্রক্রিয়াটিই হয়েছে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ—যা দলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা ও প্রস্তুতির প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার ভাষায়, “মনোনয়ন নিয়ে দলের ভেতরে বিস্তৃত গ্রহণযোগ্যতা দেখায় যে নির্বাচনি প্রচারণা ও ভোটের সময় বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।”

প্রেস সচিবের মতে, আওয়ামী লীগ অতীতে দাবি করলেও বাস্তবে তাদের মাঠের কাঠামো ভেঙে পড়েছে। তিনি লিখেছেন, “দলটি এখন মূলত ভাড়াটে কিছু টোকাই-শ্রেণির সমস্যা সৃষ্টিকারীর ওপর নির্ভরশীল, যারা পরিত্যক্ত বাসে আগুন লাগানো, স্বল্প সময়ের ঝটিকা মিছিল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি ছড়ানোর মতো কাজে জড়িত।”

তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দলটির তৃণমূলের বড় অংশ প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে মিশে গেছে বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নির্বাচন ব্যাহত করার মতো সাংগঠনিক ক্ষমতা তাদের হাতে অবশিষ্ট নেই বলেও তিনি দাবি করেন।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে গত কয়েক মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে স্থিতিশীল হয়েছে। যার ফলে পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং প্রশাসনের ওপর নতুন করে আস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন তদারকির জন্য সবচেয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ায় নির্বাচনের পরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তার ভাষায়, “আমি নিশ্চিত—তারা জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবেন।”

স্ট্যাটাসে শফিকুল আলমের মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের তৃণমূল কাঠামো নিয়ে তার পর্যবেক্ষণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

এই পাতার আরো খবর
Our Like Page