রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
Wellcome to our website...
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি মামলা হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ
প্রকাশ কাল | সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:১৯ অপরাহ্ন
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি মামলা, শেখ হাসিনা, দুদক, রাজউক, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ, রাদওয়ান মুজিব, দুর্নীতি মামলা, সাক্ষ্যগ্রহণ
শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

৬ অক্টোবর ২০২৫ | রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক মো. রবিউল আলমের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন সোনালী ব্যাংক গণভবন শাখার তিন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন— গৌতম কুমার সিকদার, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, মো. শরিফুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল অফিসার, রিয়াদ মাহমুদ, সিনিয়র অফিসার।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দুদকের প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান লিপন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গত জানুয়ারি মাসে এই মামলাগুলো দায়ের করে।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে পৃথক ছয়টি মামলা করা হয়।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা

রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক।

এছাড়াও আরও কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিও এ মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সরকারের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালনকালে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযোগ্য হলেও পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন।
এই প্রক্রিয়ায় তারা সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন এবং নিজেদের সুবিধার্থে প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়েছেন বলে দুদক দাবি করেছে।

আদালত আগামী তারিখে অন্য সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন।
দুদক বলেছে, প্রমাণ উপস্থাপন প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায় ত্বরান্বিত করা হবে।

রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পটি দেশের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রকল্পগুলোর একটি, যেখানে সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট নাগরিকদের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ডে প্লট বরাদ্দের নিয়ম রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, সেই নিয়ম অমান্য করে প্রভাব খাটিয়ে কিছু ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা প্লট পেয়েছেন, যা দুর্নীতির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে।

এই পাতার আরো খবর
Our Like Page