প্রথম ম্যাচে হারের পর এখন প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য ফাইনাল। আরেকটি ম্যাচ হারলেই সিরিজ হারার লজ্জায় পড়তে হবে লাল-সবুজের দলকে। তাতে রেকর্ডও হবে — আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হারের হ্যাটট্রিক, যা আগে কখনও ঘটেনি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে।
প্রথম ম্যাচে দলের পারফর্ম্যান্স নিয়ে সমালোচনা হয়েছে প্রবলভাবে। মন্থর ব্যাটিং, ছন্নছাড়া বোলিং—সব মিলিয়ে পরাজয়ের দায় কাঁধে নিতে হয়েছে পুরো দলকে। তাই দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ দলে আসতে পারে একাধিক পরিবর্তন।
ওপেনিং জুটি হিসেবে আগের ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। যদিও দুজনই ব্যর্থ ছিলেন, তবু আজও এই জুটির ওপরই ভরসা রাখছেন টিম ম্যানেজমেন্ট। তিন নম্বরে খেলবেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
মিডল অর্ডারে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), জাকের আলী ও নুরুল হাসান সোহান।
আগের ম্যাচে তিন পেসার নিয়ে নামলেও আজ সেই ভুল পুনরাবৃত্তি করতে চায় না বাংলাদেশ। উইকেট স্পিন সহায়ক হওয়ায় ফিরছেন লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। তার সঙ্গে তানভীর ইসলাম থাকবেন স্পিন আক্রমণে।
গতি আক্রমণে থাকবেন মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। দুই পেসার এবং দুই স্পিনারের ভারসাম্যপূর্ণ একাদশই দেখা যেতে পারে আজ।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, তানভীর ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান


