ঢাকায় ‘সন্দেহজনক ঘোরাঘুরির’ সময় গ্রেফতার মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীর সহযোগী সাংবাদিক আজহার আলী সরকারকে চার দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর হাকিম মিনহাজুর রহমান তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আজহার আলীকে।
শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আক্তার মোর্শেদ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়—আজহার আলীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন আসামি এনায়েত করিম চৌধুরীর সঙ্গে যোগসাজশ করে দেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করতে কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে গোপনে সভা-সমাবেশ করে সরকার উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বলেন,
“রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা সাত দিনের রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়েছি। তবে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করে রিমান্ড বাতিলের অনুরোধ জানায়।”
আসামিও আদালতে কথা বলেন। তিনি নিজেকে একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে দাবি করেন—
“আমি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দু’বার সাক্ষাৎ করেছি। সেই কারণেই আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।”
উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে মিন্টো রোড এলাকায় প্রাডো গাড়িতে করে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি পুলিশকে সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।
এই মামলায় এর আগে তার সহযোগী এসএম গোলাম মোস্তফা আজাদ ও জাতীয় পার্টির (রওশনপন্থি) মহাসচিব কাজী মো. মামুনুর রশীদকে গ্রেফতার করা হয়। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।


