শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
Headline
Wellcome to our website...
ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে গুলশানে মনোমুগ্ধকর মিউজিক্যাল গজল
প্রকাশ কাল | বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০১ অপরাহ্ন
ভারতীয় হাইকমিশন, গজল মিউজিক্যাল ইভেনিং, অলক কুমার সেন, জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা, প্রণয় কুমার ভার্মা, ইন্ডিয়া হাউস, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন, গজল, সঙ্গীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে গুলশানের ইন্ডিয়া হাউসে অনুষ্ঠিত হলো মনোমুগ্ধকর ‘গজল মিউজিক্যাল ইভেনিং’

ঢাকা, ৭ নভেম্বর ২০২৫ | Qtv Bangla

ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে গুলশানের ইন্ডিয়া হাউসে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত সন্ধ্যা—‘গজল মিউজিক্যাল ইভেনিং’। সুর, ছন্দ ও আবেগের মেলবন্ধনে ভরপুর এই আয়োজনে শ্রোতারা কাটিয়েছেন এক স্মরণীয় সন্ধ্যা।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টানা চলে গজলের পরিবেশনা। কণ্ঠ ও যন্ত্রসঙ্গীতের মেলবন্ধনে শ্রোতাদের বিমোহিত করেন দেশের দুই খ্যাতনামা গজলশিল্পী অলোক কুমার সেনজান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা। তাঁদের সুরেলা কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গজল পরিবেশিত হলে পুরো পরিবেশ যেন সুরের আবেশে ভরে ওঠে।

গজলের পাশাপাশি শিল্পীরা কিছু নির্বাচিত ‘শের’-এর বাংলা অনুবাদও উপস্থাপন করেন, যাতে শ্রোতারা গজলের অন্তর্নিহিত কাব্যিক সৌন্দর্য আরও গভীরভাবে অনুভব করতে পারেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দেশের কয়েকজন খ্যাতনামা যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী, যাঁদের বাজনায় যোগ হয় অতিরিক্ত আবেগ ও সুরের রঙিন মেলবন্ধন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ও তাঁর স্ত্রী মিসেস ভার্মা, হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকূল ভি কেঅ্যান মেরি জর্জসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যমকর্মী, কবি, সাহিত্যিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গায়ক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকরা।

সন্ধ্যার শুরুতে মঞ্চে আসেন জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা। তাঁর কোমল কণ্ঠে গাওয়া গজলগুলো শ্রোতাদের আবেগ ছুঁয়ে যায়। তিনি বলেন, “ঠান্ডা মেজাজের গজল গাইতেই আমার বেশি স্বাচ্ছন্দ্য—এগুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে সুরের গভীরতা এনে দেয়।”

শেষ পর্বে মঞ্চে ওঠেন অলক কুমার সেন। দর্শকদের অনুরোধে তিনি পরিবেশন করেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি গজলশিল্পী মেহেদী হাসান, গোলাম আলী, জগজিৎ সিং, পঙ্কজ উদাসহোসেন বকসের জনপ্রিয় গজলগুলো। তাঁর কণ্ঠে সেই চিরচেনা সুরের আবেশে গুলশানের ইন্ডিয়া হাউস রূপ নেয় এক আবেগময় সঙ্গীত মন্দিরে।

অনুষ্ঠান শেষে ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এমন আয়োজনে তারা আগামীতেও উদ্যোগী হবে।

এই পাতার আরো খবর
Our Like Page