জুলাই গণঅভ্যুত্থয়ের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল ও সাবেক আইজিপি মামুনের বিরুদ্ধে রায় পড়া শুরু করেছে ট্রাইব্যুনাল-১। মামুনকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে আনা হয়। পলাতক থাকায় শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দণ্ড চেয়েছে প্রসিকিউশন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থয়ের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি মামুনের বিরুদ্ধে রায় পড়া শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
সোমবার বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় পড়া শুরু করেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এই মামলায় শেখ হাসিনা ও কামাল পলাতক থাকলেও সাবেক আইজিপি মামুন গ্রেফতার হয়ে প্রায় বছরখানেক ধরে কারাগারে রয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাই তার শাস্তি নির্ধারণ ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে প্রসিকিউশন। অপরদিকে শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা চাওয়া হয়েছে।
সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় মামুনকে প্রিজনভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। আদালত এলাকার নিরাপত্তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে—পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও তৎপর অবস্থায় রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয় এবং জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থয়ের মানবতাবিরোধী মামলায় শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে রায় পড়া শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আদালত এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার।


