শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
Headline
Wellcome to our website...
আজকের সর্বশেষ মুদ্রার রেট: ২০ নভেম্বর ২০২৫
প্রকাশ কাল | বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ১:০৩ অপরাহ্ন
মুদ্রার রেট, আজকের ডলার রেট, টাকা ডলার রেট, বাংলাদেশ ব্যাংক রেট, ইউরো রেট, পাউন্ড রেট, ২০ নভেম্বর মুদ্রা বিনিময়
ছবি: সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫—বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করেছে দিনের সর্বশেষ মুদ্রা বিনিময় হার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য, রেমিট্যান্স এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন বিবেচনায় প্রতিদিনই মুদ্রাবাজারে ওঠানামা লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের জন্য প্রতিদিনের বিনিময় হার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল তথ্যমতে, আজকের বাজারে মার্কিন ডলার কেনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২.৫০ টাকা, আর বিক্রির দাম ১২২.৫৯ টাকা। গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২.৫৫ টাকা। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাপ অব্যাহত থাকায় দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে।

ইউরো কেনার ক্ষেত্রে হার রাখা হয়েছে ১৪১.৩১ টাকা, আর বিক্রির হার ১৪১.৪৬ টাকা। অপরদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয় ও বিক্রয় হার যথাক্রমে ১৫৯.৯৩ টাকা এবং ১৬০.১৩ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরো–পাউন্ডের অবস্থানগত পরিবর্তন দেশীয় বাজারকেও প্রভাবিত করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া অন্যান্য মুদ্রার হারও প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জাপানি ইয়েনের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য উভয়ই ০.৭৮ টাকা, যা সাম্প্রতিক সময়ে স্থিতিশীল রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ডলার কেনার দাম ৭৯.৩৪ টাকা, বিক্রির দাম ৭৯.৪৫ টাকা; আর সিঙ্গাপুর ডলার ক্রয় ৯৩.৭১ টাকা এবং বিক্রয় ৯৩.৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলার বাজারে আজ ৮৭.১৮ টাকা ক্রয় এবং ৮৭.২৫ টাকা বিক্রয়মূল্যে লেনদেন হচ্ছে। ভারতীয় রুপির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে—ক্রয় এবং বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রেই ১.৩৯ টাকা। মধ্যপ্রাচ্যগামী কর্মীদের আয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলা সৌদি রিয়েলের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২.৭৯ টাকা

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, তেলের দাম, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার পরিবর্তন, এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের নীতিমালা—সবই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারকে প্রভাবিত করছে। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে কিছুটা ইতিবাচক চাপ তৈরি হয়েছে।

চলতি সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাণিজ্য দৃঢ় করতে কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

মুদ্রা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বছর শেষে ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনও বাড়বে। তাই মুদ্রাবাজারে আগামী সপ্তাহগুলোতে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাজারে অস্থিতিশীলতার কোনো আশঙ্কা নেই—পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
Our Like Page